বর্ষার আগেই জাতীয় নির্বাচন!

34

upnirbaconঅধিকার, সিপিডি, আইন সালিশ কেন্দ্র ও টিআইবি’র মতো সংগঠনগুলোর সংযমী বক্তব্য এবং তথ্যনির্ভর গবেষণাও সরকার সহ্য করতে নারাজ। কোনো কোনোটির পুরো বক্তব্য, তথ্য-উপাত্ত এবং মন্তব্য জনগণকে খুশি করলেও সরকারকে বিব্রত করছে। অধিকার থেকে টিআইবি’র কর্মকর্তারা সবাই হেনস্তা হলেন। সরকারের চোখ রাঙানি আমলে নিচ্ছেন না, এমন ভাব দেখালেও বাস্তবে তারা অবদমিত হয়েই কথা বলতে বাধ্য হচ্ছেন। কারণটা স্পষ্ট। সরকারের ভেতর এমন একটি সুবিধাভোগী অসহিষ্ণু গোষ্ঠী রয়েছে যারা সমালোচনা যে ভাষায় হোক, সহ্য করতে নারাজ। তাদের টলারেন্স-পাওয়ার বা সহ্যশক্তি জিরোতে এসে ঠেকেছে। বিরোধী দল সংসদে ও বাইরে কার্যকর গণতন্ত্রচর্চার সুযোগ পেলে মানবাধিকার সংগঠন-সংস্থা, দাতাগোষ্ঠীর সাহায্যপুষ্ট এনজিওগুলোর এত দায় নেয়ার গরজ পড়ত না। সরকার বিরোধী দল ঠেকাতে গিয়ে এ ধরনের সংগঠন-সংস্থাকে কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছে। এটাও সহ্য করতে না পারলে তার দায় না নিয়ে উপায় থাকবে না। সত্য আড়াল করলে স্বভাবত মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়। একটা মিথ্যা প্রতিষ্ঠিত করতে হাজারো মিথ্যা বলতে হয়। একটা নগদ উপমা নিন, সৈয়দ আশরাফ মোটামুটি গ্রহণযোগ্য রাজনীতিবিদ। এবার এলাকায় গিয়ে যত বক্তব্য দিয়েছেন, সব ক’টি স্ববিরোধী। এক দিকে বলেন- সাত বছরে কোনো জাল ভোট হয়নি। সত্যিই তো, যে ভোট গোনা হয় তা আবার জাল কী, ডাকাতির টাকাও তো টাকা। অন্য দিকে বাজিতপুর গিয়ে নিজেই অনিয়মের অভিযোগ তুললেন।

সুশীল বা বুদ্ধিজীবী সমাজ এখন আর ‘সাহস’ দেখান না। বুদ্ধির সতীত্ব দেখানোর সুযোগ এখন আর নেই। কারণটা অজ্ঞাত নয়। বুদ্ধিজীবীদের জানা রয়েছে- এ সরকারের মধ্যে এমন কিছু উচ্ছিষ্টভোগী ও কায়েমি স্বার্থবাদী মানুষ রয়েছেন, যারা শেখ হাসিনার চেয়েও বড় আওয়ামী লীগার সেজে বসেছেন। তারা একটি সহজ সত্য বুঝে নিয়েছেন, ক্ষমতার লক্ষ্মী যত দিন থাকবে তত দিন তাদের রাজনীতি থাকবে। চাঁদাবাজি থাকবে। সুযোগ সুবিধা থাকবে। তাই গণতন্ত্র-পণতন্ত্র, উন্নয়ন-তুন্নয়ন তাদের বিবেচনার বিষয় নয়। তাদের মূল কর্তব্য নিজেদের স্বার্থে সরকারকে টিকিয়ে রাখা। নিজের স্বার্থ নাকি পাগলও বোঝে। সুবিধাভোগীরা বুঝবে না তা কি হয়!

গণতান্ত্রিক শিষ্টাচার অনুযায়ী প্রতিবাদী রাজনীতি না থাকলে জনগণই শুধু বঞ্চিত হয় না, কোনো মানবাধিকার কর্মী ও বুদ্ধিজীবীসমাজও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারে না। একইভাবে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোও সংবিধান মেনে কাজ করতে পারে না। বুদ্ধিজীবীসমাজও পানিতে বাস করে কুমিরের সাথে লড়ে যাওয়ার কথা ভাবেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রবীণ শিক্ষক, যার জীবনের অভিজ্ঞতা প্রশ্নাতীত। নিজের সন্তান হারিয়েও বিচার চাননি। জানেন ন্যায়সঙ্গত বিচার তিনি পাবেন না। আইন-বিচার ও নির্বাহী বিভাগের প্রতি কতটা ক্ষোভ থাকলে এমন বক্তব্য দেয়া যায়, মগজে কী পরিমাণ অনাস্থা ভর করে তা সহজেই বোধগম্য। একই শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন- বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষক তার দৃষ্টিতে আত্মমর্যাদাহীন। এটা তো জানা কথা, রং ও দলবাজ শিক্ষক আর যাই হোন, শক্ত মেরুদণ্ডের মানুষ হন না। একটি সমাজে যখন গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ে, তখন প্রাতিষ্ঠানিক গণতন্ত্রচর্চার কোনো সুযোগ অবশিষ্ট থাকে না। এমন পরিস্থিতিতে দেশ পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হতে বাধ্য। বাস্তবে হয়েছেও তাই। মাছের ‘রাজা’ ইলিশ যেমন মিথ্যা নয়, তেমনি বাগাড়ম্বর থাকলেও দেশের ‘রাজা’ কার্যত পুলিশ, এটা বলতে দোষ কী? পুলিশ সভা করার অনুমতি দেয়। রাজনীতি ও গণতন্ত্রচর্চার জন্য দরখাস্ত করতে হয় পুলিশের কাছে। সরকারের রাজনৈতিক ইচ্ছা পূরণ করে পুলিশ। প্রতিপক্ষ ঠেঙাতে লাগে পুলিশ। নিজেদের সহায়সম্পদ, স্ফীত মেদ পাহারা দিতে লাগে পুলিশ। মামলাবাজির জন্য চাই পুলিশ। দল ভাঙার জন্য চাই পুলিশ। চার্যশিট দেয় পুলিশ। বিরোধী দলকে হামলে পড়ে দমন করতে, অফিসে তালা ঝুলাতে, মিটিং বানচাল করতে, গৃহপালিত বা অনুগত বিরোধী দল খাড়া করতে পুলিশ চাই। দখল প্রতিষ্ঠা করতে ও টেন্ডার হাইজ্যাক করতেও পুলিশের সাহায্য জরুরি। প্রতিবাদের কণ্ঠ দমন করার জন্য পুলিশ যথেষ্ট। সরকারি দলের অঙ্গসংগঠনগুলোর লাঠি ও অস্ত্রবাজ ক্যাডারদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় পুলিশ। পুলিশ এ সুযোগগুলো নিজের স্বার্থেও কাজে লাগায়। পুলিশ নিজেকে জড়িয়ে নেয় সব অপরাধের সাথে। গ্রেফতারবাণিজ্য ও চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ হাতছাড়া করে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে পুলিশের অবস্থান বিবেচনা করে অবশ্যই বলতে হবে, দেশের রাজা পুলিশ। পুলিশ সিটি করপোরেশন কর্মচারী পিটিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মচারীকে লাঞ্ছিত করেছে- এ জন্য এখন যারা পেরেশান, তারা জয়নাল আবদিন ফারুককে দাবড়ানো থেকে সালাহউদ্দিন পাচার, চৌধুরী আলম-ইলিয়াস আলী থেকে শিশু গুম পর্যন্ত কোনো টুঁ-শব্দ করেননি। বিরোধী দলের অফিসে হামলা থেকে একজন নেত্রীর বাসভবনের সামনে বালুর ট্রাক দিয়ে ব্যারিকেড সৃষ্টি পর্যন্ত কোন কাজটি পুলিশ করেনি কিংবা পুলিশ দিয়ে করানো হয়নি। সরকার কোন মন্দ কাজে পুলিশ ব্যবহার করেনি! এর কোনোটির বিরুদ্ধে কোনো শক্ত অবস্থান নেননি বুদ্ধিজীবী-সুশীলসমাজ। আজ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা মর্যাদার লড়াই করছেন, আমলাদের বিরুদ্ধে আঙুল তুলছেন। এটা শ্রেণিস্বার্থের বোঝাপড়া হলেও আমরা শিক্ষকদের মর্যাদা সমুন্নত রাখার পক্ষে। কিন্তু জাতির এই মেরুদণ্ড ও বিবেকখ্যাতরা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপারে কোনো উৎসাহ দেখাননি। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারেও তারা মুখ খোলেননি। টকশোতে কিছু শিক্ষককে দেখেছি মুখরা রমণীর মতো গণতন্ত্র মুলতবি রেখে উন্নয়নের ডুগডুগি বাজাতে উৎসাহী হতে। আইয়ুবি গণতন্ত্রের সবক শোনাতে কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষক যেভাবে কোমর বেঁধে নেমেছেন, চেতনার বৈরাগী সেজেছেন; তাতে লজ্জাও লজ্জা পেয়েছে। তারা ভুলে গেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকেরা ছিলেন ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধিকার আন্দোলন, শিক্ষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সামনের কাতারে। আইয়ুবের বিরুদ্ধে ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আজ দলবাজ শিক্ষকেরা শ্রেণী যুদ্ধে নেমে পড়েছেন, নিজেদের প্রমোশন আর একটু সুযোগ হাতিয়ে নিতে তারা বিবেক বন্ধক রাখতে কার্পণ্য করেননি। তারা এটাও ভুলে গেছেন, কার্যকর গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান মুক্ত না হলে কোনো শ্রেণিসংগ্রাম ও পেশাজীবী আন্দোলন সফল পরিণতি পায় না। যদি পেত তাহলে প্রধানমন্ত্রীর চায়ের দাওয়াতে তাদের ‘অভিমান’ ভাঙত না। ধনুকভাঙা পণ টুটে যেত না।

জনগণ দেখতে পাচ্ছে সরকার পুলিশ-নির্ভর হয়ে আছে। এই নির্ভরতার সাথে জনগণের স্বার্থ খুব একটা জড়িত নেই। দেশের ও জনগণের বৃহত্তম স্বার্থ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পররাষ্ট্রনীতি কখনো ক্ষমতা ও দলীয় রাজনীতির স্বার্থে ব্যবহৃত হওয়া উচিত নয়। সময় পাল্টালে পুলিশ যেমন পাল্টে যায়, তেমনি কূটনীতিও ধরন-ধারণ পাল্টায়। অথচ পুলিশের দৌরাত্ম্য মহল্লার মসজিদের ইমামের খুতবা ও কমিটির শ্রেণিচরিত্র থেকে রাজনীতির সদর-অন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত। একইভাবে পররাষ্ট্রনীতি চর্চিত হচ্ছে দলীয় ক্ষমতার স্বার্থে; দেশের জনগণ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের স্বার্থে নয়।

এত কিছুর পরও শোনা যাচ্ছে, সরকার বর্ষা আসার আগেই একটি জাতীয় নির্বাচন করে বৈধতা আদায় করে নিতে আগ্রহী। এর আগে ক্ষমতার পাটাতন শক্ত ও মজবুত করার জন্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে গ্রাম পর্যন্ত নিয়ে যেতে চায়। মাঠ প্রশাসন ঢেলে সাজাতে চায়। জাতীয় পার্টি আগে থেকেই ‘আমাকে ব্যবহার করুন’ লিখে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রেখেছে। ইসলামী ঐক্য জোট ভাঙা, ‘আসল’ বিএনপির নামে নতুন সাইনবোর্ড ঝুলানো, ব্যারিস্টার হুদাকে কাজে লাগানো, জামায়াত নিষিদ্ধকরণ, জাতীয় পার্টির একটি অংশকে হিজড়া দলে পরিণত করে অপর অনুগত গ্রুপকে পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনসহ একগুচ্ছ রাজনৈতিক পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের হাতে। তাই দল ভাঙাভাঙি কোনো রোগ বা নেপথ্য কারণ নয়, উপসর্গ এবং কিছু একটা ঘটার প্রসব বেদনা। জামায়াত নিষিদ্ধ হলে তাদের ভোটের পুঁজি যাতে এক বাক্সে না রাখতে পারে, সেজন্যও সরকার কিছু ইঞ্জিনিয়ারিং করে রাখতে চায়। ইতোমধ্যে সেভাবে মেরুকরণের প্রক্রিয়া যে শুরু হয়েছে, তার কিছু আভাসও মিলছে।

একটি জাতীয় নির্বাচনের জন্য বিরোধী জোট তো বটেই, জনগণও মুখিয়ে আছে। সরকার এই আশার ভেতর ছাই না ছিটিয়ে এই আশাকে পুরোটা নিজেদের পরিকল্পনামতো কাজে লাগাতে চায়। যদ্দুর তথ্য মিলছে, তাতে প্রভাবক বিদেশীরাও নির্বাচনের বিষয়টি ইতিবাচক এবং সরকারের সহনীয় ও পরিমার্জিত রাজনীতি হিসেবে দেখছে। নিকটতম প্রতিবেশী দেশের নীতিনির্ধারকেরাও মনে করেন, আওয়ামী লীগ বিএনপির তুলনায় তাদের জন্য মন্দের ভালো হলেও একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়ে যাক- নিজ দেশের ইমেজ সঙ্কট কাটাতে তারাও এমনটা ভেবে রাখতে চায়। বৈধতার দৃষ্টিতে প্রশ্নবিদ্ধ একটি সরকারকে আরো বেশি দিন সমর্থন জোগালে তাদের ইমেজ সঙ্কট যে বাড়বে সেটা এবার আর এড়াতে চাইছে না। অন্তত তাদের জাতীয় স্বার্থের বিবেচনায় এমন ভাবনা অর্থহীন নয়।

সীমান্তচুক্তি, ছিটমহল বিনিময়, সমুদ্রসঙ্কটের ‘উইন উইন’ নিষ্পত্তির বিষয়গুলো উভয় দেশ তাদের জনগণের সামনে তুলে ধরার বিষয় মনে করেন। পানিচুক্তির জন্য একটা দীর্ঘমেয়াদি মুলাও ঝুলবে। অনুপচেটিয়া ও সাত খুনের খুনি হিসেবে অভিযুক্ত নূর হোসেন বিনিময়ও সাফল্যের খাতায় তুলতে দুই সরকারই আগ্রহী। সরকার মনে করে তাদের কিছু কসমেটিক-উন্নয়ন জনগণকে প্রবোধ দেবে। তাই ভাসমান ভোট টানার সাথে সাথে স্থানীয় নির্বাচনে যাদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে, তারাও স্থানীয়ভাবে ভোট টানতে ভূমিকা রাখবেন।

বিএনপি জোটও এখন নির্বাচন নিয়ে ভাবতে বাধ্য। এ মুহূর্তে আন্দোলনবিমুখ কিন্তু প্রত্যয়ী বিএনপি বিশ্বাস করে, মোটামুটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন তাদের অনুকূলে যাবে। এমন উইন উইন ভাবনা থেকে মে মাস পর্যন্ত একটি জাতীয় নির্বাচন হয়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। বিএনপি জোট মনে করছে, নির্বাচনপদ্ধতিতে পরিবর্তন আনতে সরকারকে ছাড় দিতেই হবে। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের প্রশ্ন এড়ানো সম্ভব হবে না। দলনিরপেক্ষ নির্বাচনী সরকার-ধারণা ষোলোআনা বর্জন করা সম্ভব হবে না; তাই নির্বাচনপ্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আসতেই হবে। নেতৃবৃন্দের মুক্তি নিয়েও ছাড় দেয়ার প্রশ্ন উঠবে। আওয়ামী লীগের দৃঢ়বিশ্বাস, এবার অনেক সহজশর্তে কম বার্গেনিংয়ে বিএনপি জোটকে নির্বাচনে টানা যাবে। ক্ষমতার সুযোগ ব্যবহার করে কোনোমতে সরকার গঠনের সুযোগ পেয়ে যাওয়া এখন আর কঠিন হবে না। বিএনপি জোট জামায়াত-ঐক্যজোট ছাড়া জোয়ার তুলতে পারবে না বলেই সরকার মনে করে। তাই উল্লেখযোগ্য আসন পেয়ে বিএনপি সংসদে ফিরে গেলে মধ্যবর্তী নির্বাচন হোক আর নতুন জাতীয় নির্বাচন হোক, কারো অর্জনের খাতা শূন্য থাকবে না। দুই পক্ষের জিতে যাওয়ার ভাবনাই নির্বাচন হয়ে যাওয়ার কার্যকর লক্ষণ। বিএনপি ধরেই নিয়েছে, মোটামুটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত হলে পরিবর্তনকামী মানুষের ভোট নীরব বিপ্লব ঘটাবে। এ ধরনের কিছু সরকার ভাবছে না। আমলেও নিতে চায় না। তবে নিজেদের বিজয়ের নিশ্চয়তা পেতে সব কাজই করতে কার্পণ্য করবে না।

Facebook Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here