মানব পাচার রোধে প্রশংসনীয় অবদান রাখছে কোস্টগার্ড: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ব্লু-ইকোনমিসহ সমুদ্রপথে মানব পাচার ও মাদক চোরাচালান রোধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড প্রশংসনীয় অবদান রাখছে।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে এশিয়ার ১৮টি দেশের কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে দু’দিনব্যাপী ওয়ার্কিং লেভেল মিটিংয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় নিরাপদ মেরিটাইম পরিবেশের জন্য একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে সারা বিশ্বে সন্ত্রাসবাদ, মাদকদ্রব্য পাচার, চোরাচালান, অবৈধ অস্ত্র, মানব পাচার প্রতিরোধ ও অবৈধ মৎস্য আহরণসহ সমুদ্রে যারা বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে আসছে, তাদেরকে কঠোর হাতে প্রতিরোধ করছে কোস্টগার্ড।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি মেরিটাইম বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছিলেন। নিজস্ব সমুদ্রসীমা দাবি করে একটি টেরিটোরিয়াল ওয়াটার অ্যান্ড মেরিটাইম জোনস অ্যাক্ট ১৯৭৪ প্রণয়ন করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্টায় ব্লু-ইকোনমি প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।

তিনি বলেন, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সমুদ্র ও উপকূলবর্তী অঞ্চলে উদ্ধার তৎপরতা, পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ, অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কোস্টগার্ড বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, মাদকদ্রব্য চোরাচালান প্রতিরোধ, উপকূলীয় বিভিন্ন আইনের পাশাপাশি পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন, সমঝোতা বৃদ্ধি, তথ্য আদান-প্রদান সমন্বিত প্রচেষ্টা বৃদ্ধি ছাড়াও নিজস্ব দায়িত্বপালনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের আয়োজনে হেড অব এশিয়ান কোস্ট গার্ড এজেন্সির (এইচএসিজিএএম) ১৪তম এ সভায় ভারত, চীন, অস্ট্রেলিয়া, বাহরাইন, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, ভিয়েতনামসহ ১৮টি দেশের কোস্টগার্ড ও মেরিটাইম এজেন্সির ৪১ জন প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন।

print

LEAVE A REPLY