কারা তুলে নিয়েছিল রিয়াদকে

0 ৯৩

অপহরণের সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নিকেতন এলাকায় ফেলে যাওয়া হয় সাংবাদিক রিয়াদ আহসানকে। বনানীর একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি। এসএ  টিভির সিনিয়র রিপোর্টার রিয়াদ আহসানকে গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে গুলশান-১ এর অফিস সংলগ্ন এলাকা থেকে মাইক্রোবাসযোগে অপহরণ করা হয়। কিন্তু কারা তাকে অপহরণ করেছে তা জানা যায়নি। গাড়িতে তোলার পরই অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে রিয়াদকে জিম্মি করে চোখ বাঁধা হয়। একপর্যায়ে নিজেকে রক্ষা করতে চিৎকার করার চেষ্টা করেন রিয়াদ। এ সময় তার মাথার পেছনে আঘাত করা হয়। রিয়াদ আহসান জানান, এর মধ্যে গাড়ি থেকে নামিয়ে একটি বাসায় কিছুক্ষণ আটকে রাখা হয় তাকে।

সেখানে সংবাদ সংক্রান্ত বিষয়ে নানা প্রশ্ন করা হয় তাকে। অপহরণকারী তিনজন ছিলেন। তারা নিজেদের পরিচয় না দিয়েই তাকে প্রাণনাশের হুমকি-ধমকি দিয়ে জানান, প্রথম এবং শেষবারের মতো তাকে ছেড়ে দেয়া হলো। এরপরই রাত ১১টার দিকে নিকেতনের এক নম্বর গেট এলাকা থেকে আহত অবস্থায় এশিয়ান টিভির একজন প্রযোজক ও আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করেন। বিষয়টি রাতেই গুলশান থানা পুলিশকে অবগত করা হয়। রিয়াদ আহসান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান বলেন, সাংবাদিক রিয়াদ আহসানকে অপহরণের বিষয়টি জেনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে, রিয়াদ আহসানকে অপহরণের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব)। গতকাল এক বিবৃতিতে ক্র্যাব’র সভাপতি মিজান মালিক ও সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আরিফ কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ক্র্যাব নেতৃবৃন্দ মনে করেন, এ ধরনের ঘটনা গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য হুমকি স্বরূপ। একজন গণমাধ্যম কর্মীকে এভাবে তুলে নিয়ে যাওয়া ও মারধর করে ফেলে যাওয়ায় গোটা সাংবাদিক সমাজে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

mzamin

Comments
Loading...