দর্শনার্থীদের আটক করা মানবাধিকারের লঙ্ঘন’

0 ১২২

মেয়েটির নাম মায়া। জব করতো UNICEF এ, সে UNICEF এ পথশিশুদের নিয়ে কাজ করতো। তার এলাকার একজন বড় ভাইকে আটকের পরে কাশিমপুর কারাগারে হস্তান্তর করছে জানতে পেরে অফিস শেষে সে কাশিমপুর কারা ফটকের উদ্দেশ্য যাত্রা করে। বড় ভাইটি আমাদের সংগঠন করে।

সেখানে গিয়ে শুনতে পায়, এখান থেকে আমাদের ৪ জন, যারা দর্শনার্থী হিসেবে দেখতে গিয়েছিলো, তাদেরকে আটক করে বাসন থানায় নিয়ে গিয়েছে। মায়া বাসন থানায় যায় পুলিশের সাথে কথা বলার জন্য।
সেখান থেকে তাকেও আটক করা হয়।

একজন মেয়েকে এভাবে আটক করা কি মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়? পৃথিবীর কোন দেশে দর্শনার্থীদের এভাবে আটকের নজির আছে বলে আমার জানা নেই।
মায়াসহ কারও নামে কোন মামলা ছিলো না। অথচ তাদেরকে গাজিপুর থেকে আটক করে ঢাকার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় (তারা ৫ জনই গাজিপুরের বাসিন্দা)। যেটি সম্পূর্ণভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন।

এই দেশের প্রধানমন্ত্রী একজন নারী, বিরোধীদলীয় নেত্রী নারী, স্পিকার একজন নারী, সংসদে অনেক নারী নেতৃত্বও রয়েছে। এবং মেয়েরা বর্তমানে অনেক এগিয়ে গিয়েছে।
সেই দেশে একজন মেয়েকে এভাবে আটকের পর, সবাই নিশ্চুপ! সত্যি আশ্চর্যজনক।

কোন মানবাধিকার সংগঠন কিংবা নারী সংগঠনগুলো মায়ার পাশে দাঁড়ায় নি।

মায়ার বিয়ে ঠিক হয়েছিলো। ১ লা এপ্রিল সে আটক হয়।কিন্তু তার বিয়ে হওয়ার কথা ছিলো ১ সপ্তাহ পরেই। কিন্তু সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেলো।
একজন মেয়ের জন্য এটা কতোটা কষ্টের, তা একমাত্র ভুক্তভোগী ও তার পরিবারই জানে।

ঈদের আগে মায়াসহ সকলের মুক্তি চাই।

রাশেদ খানের ফেসবুক থেকে

Comments
Loading...