সাংবাদিক মুজাক্কিরকে আগেও হত্যাচেষ্টা করা হয়েছিল

0 ৮৭

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চাপরাশিরহাট বাজারে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষ ও পুলিশের গোলাগুলিতে নিহত সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কিরকে এর আগেও হত্যার চেষ্টা করেছিল তথাকথিত নামধারী হাসান ইমাম রাসেল ও সহযোগীরা। ২০১৯ইং সালের ১৩ই সেপ্টেম্বর তথাকথিত সাংবাদিক মাদক মামলার কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাসান ইমাম রাসেল এবং নাছির উদ্দিন বিডি ও গিয়াস উদ্দিন রনি তার দোকানে এনে নির্মমভাবে পিটিয়ে তাকে আহত করে। পেটানোর ভিডিও চিত্র এ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত আছে। ভিডিওতে দেখা যায় মুজাক্কিরকে রাসেল, নাছির উদ্দিন বিডি ও রনি নির্মমভাবে পেটায় এবং বলে তোর কোন্‌ বাপ তোকে বাঁচায় আমরা দেখবো।
রাসেল এর আগেও সমকাল কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি তবিবুর রহমান টিপুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের হুমকি দিয়েছে। ২০১১ সালের ২১শে অক্টোবর কোম্পানীগঞ্জ থানায় জিডি করেছিল। ২০১২ সালের ২১শে সেপ্টেম্বর তৎকালীন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত হুমায়ুন কবির রাসেলের বিরুদ্ধে গাড়ি চুরির একটি প্রতিবেদন নোয়াখালী পুলিশ সুপার বরাবর দাখিল করেন। ২০২০ সালের ২৪শে জুন সন্ত্রাসী রাসেল সমকাল নোয়াখালী প্রতিনিধি আনোয়ারুল হায়দারের দুটি হাত কেটে ফেলার হুমকি দিয়েছিল। ২০২০ সালের ২৫শে জুন এ ঘটনায় হায়দার রাসেলের বিরুদ্ধে চাটখিল থানায় জিডি করেন।

২০১৪ সালের ৭ই জানুয়ারি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুজ্জামান ১ কেজি গাঁজা রাখার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে রাসেলকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

২০১৮ সালের ২৮শে জানুয়ারি নোয়াখালীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রুকনউদ্দিনের নেতৃত্বে টাস্কফোর্স অভিযান চালিয়ে হাসান ইমাম রাসেলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় নোয়াখালীর মাদকদ্রব্যের উপ-পরিচালক মো. ইমরুল কায়েস বাদী হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা করেন।

mzamin

Comments
Loading...