হঠাও মাফিয়া বাঁচাও দেশ

0 ৬৮

ইজরায়েলের সাথে বাংলাদেশের কুটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও বাংলাদেশ কর্তৃক ইজরায়েল থেকে ফোনে আড়িপাতা,ডিভাইস ট্রাক করাসহ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নজরদারি যন্ত্রপাতি কেনার তথ্য আল-জাজিরার রিপোর্টে উঠে এসেছে।যার আরো কিছু রাজনৈতিক যোগসূত্র রয়েছে। ইজরায়েল এদেশে ভারতীয় গোয়েন্দা ‘ র ‘ এর সাথে কাজ করছে। রাজনৈতিক দল থেকে গনমাধ্যম, প্রশাসনে ‘ র ‘ এজেন্ট ও প্রভাব কতটুকু ‘ সিনহা হত্যা’ ও ওসি প্রদীপের ঘটনা তা কিছুটা হলেও আপনাদেরকে ধারণা দিয়েছে। যা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য মারাত্নক হুমকি স্বরূপ।
যদিও ফিলিস্তিনে ইজরায়েলের দখলদারিত্ব, ফিলিস্তিনের নিরীহ জনগণের উপর অন্যায়ভাবে ইজরায়েলের দমন-পীড়ন এবং বাংলাদেশের সংবিধানে বিশ্বের নিপীড়িত-শোষিত মানুষের পাশে থাকার কথা উল্লেখ থাকায় দেশের সকল রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজ ইজরাইলকে স্বীকৃতির বিপক্ষে, তবে ভিন্ন মতের উপর দমন-পীড়ন, গুম, খুন চালিয়ে অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকা মাফিয়া সরকার আগামী নির্বাচনে ক্ষমতায় আসলে ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দিবে বলে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘ র ‘ ও ইজরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা ‘ মোসাদ ‘ এর সাথে সমঝোতা করেছে।

তারা বিশ্লেষণ করে দেখেছে, সরকার দমন-পীড়ন,গুম,খুন, মামলা দিয়ে হামলা করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও ব্যক্তিকে কোণঠাসা করে রাখতে পারলেও ইসলামি দল ও সংগঠনসমূহ তাদের সামনে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। তাই মোদি বিরোধী আন্দোলনকে কাজে লাগিয়ে ইসলামপন্থীদের শক্তভাবে দমনের পাশাপাশি ভিন্ন মতের কিছু ব্যক্তি ও সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে সরকার। মোদি বিরোধী আন্দোলনে সরকারি দলের পৃষ্ঠপোষকতায় ঘটানো পরিকল্পিত সহিংসতা ও পরবর্তী পদক্ষেপগুলো পর্যালোচনা করলে আরেকটু পরিষ্কার হয়ে যাবেন।

আমি বরাবরই বলেছি আওয়ামী বয়ানের সৃষ্ট বিভিন্ন ইস্যুতে আমরা বিভক্ত থাকলে এই মাফিয়ারাই শক্তিশালী হবে, ফ্যাসিবাদ দীর্ঘায়িত হবে,জনগণ পিষ্ট হবে। এই দৈত্য-দানবের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার গোষ্ঠীকে রাজপথে নামাতে না পারলে কখনোই তা গণআন্দোলন বা গনঅভ্যুত্থানে রূপ নিবে না। আর গণআন্দোলন বা গনঅভ্যুত্থান ছাড়া এই মাফিয়াদের হাত থেকে দেশ ও দেশের মানুষকে রক্ষা করা সম্ভব না। প্রশাসনের বড় একটা অংশ গণআন্দোলনে জনগণের কাতারে এসে দাঁড়াবে, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহ সবসময়ই জনগণের গণআন্দোলনের পাশে দাঁড়ায়। কিন্তু তার জন্য আগে জনগণকে রাস্তায় নামতে হবে।

তাই সার্বিক পরিস্থিতিতে সকলের প্রতি একটাই আহ্বান বিদেশী অপশক্তি ও দেশীয় মাফিয়াদের হাত থেকে দেশ ও দেশের মানুষকে রক্ষায় জেগে উঠুন। প্রতিনিয়ত দমন-পীড়ন,হামলা-মামলা, গুলি না খেয়ে ৭ দিন সর্বাত্নক আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত হোন। কে উদ্যেগ নিলো,কারা ডাক দিলো, কারা ক্ষমতায় আসবে এখন আর সেটা হিসেব না করে, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবিতে মাফিয়াদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন।
দেশে গণতন্ত্র থাকলে সকলেরই রাজনীতি, সংগঠন করার অধিকার থাকবে। আর রাজনীতি, সংগঠণ করার অধিকার থাকলে জনগণ যে কোন সময় গণবিরোধী সরকারকে মুহুর্তের মধ্যেই ছুড়ে ফেলতে পারবে।

হঠাও মাফিয়া বাঁচাও দেশ।
ভারতীয় আগ্রাসন, সময় থাকতে রুখে দাঁড়াও জনগণ।

Comments
Loading...