চূড়ান্ত রায়ে সাঈদীর আমৃত্যু কারাদণ্ড

0 ১৪

Saydeeঢাকা: মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসেইন সাঈদীকে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন দিয়েছেন ‍আপিল বিভাগ। বুধবার প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

নিয়ম অনুযায়ী সকাল সোয়া নয়টায় আপিল বিভাগ বসে। এরপর বেলা দিকে রায় দেওয়া হয়।

বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহাব মিঞা, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী।

এর আগে মাওলানা সাঈদীর আপিলের শুনানি শেষে গত ১৬ এপ্রিল রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখেন আপিল বিভাগ। গতকাল মঙ্গলবার আজ রায়ের জন্য কার্য তালিকার তিন নম্বরে মামলাটি রাখা হয়।

মুক্তিযুদ্ধের সময় পিরোজপুর এবং বরিশালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ২০টি অভিযোগ আনা হয়েছিল মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারে ইব্রাহিম কুট্টি এবং বিসাবালী নামের দুজনকে হত্যার ঘটনায় সাঈদীর ফাঁসির আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।

ট্রাইব্যুনালের এ রায়ের বিরুদ্ধে উভয়পক্ষের আপিল শুনানি শেষ করতে দীর্ঘ আট মাসে ৪৯ কার্য দিবস সময় নেন। এরপর মামলাটি রায়ের জন্য পাঁচ মাস অপেক্ষমান রাখে আদালত।

এর আগে জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লার আপিল নিষ্পত্তি করে রায় কার্যকর করা হয়েছে। আর আব্দুল আলীম মৃত্যুবরণ করায় তার আপিল কার্য তালিকা বাদ দিয়েছেন আদালত।

গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে ট্রাইব্যুনাল ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেন। এর এক মাস পর ২৮ মার্চ আপিল করে উভয়পক্ষ।

গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে এ মামলার আপিল শুনানি শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন- এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল এমকে রহমান। তাদের সহযোগিতা করেন প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী।

আসামিপক্ষে শুনানি করেন- খন্দকার মাহবুব হোসেন, এডভোকেট এসএম শাহজাহান। তাদের সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার তানভীর আহমেদ আল আমীন।

Comments
Loading...