পণ উসুলে দেবরের ধর্ষণ

0 ১৭

image_52070_0ভারতের হরিয়ানার যমুনাবাদে গত ১১ মে বিয়ে হয়েছিল এক নারীর। কিন্তু বিয়ের পরের দিন থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাকে রাত দিন কটুকথা শোনাতে থাকে। নারীর অপরাধ সে বিয়ের সময় সঙ্গে করে খুব বেশি পণ নিয়ে আসতে পারেনি। আর এই কারণেই নারীর দেবর তাকে ধর্ষণ করে। কিন্তু এই কথা শ্বশুরবাড়ির লোকেদের জানালে তাকে চুপ করে থাকতে বলা হয়। সে যদি এই ঘটনা কাউকে বলে তাহলে তাকে জ্যান্ত আগুনে পুরিয়ে মারার হুমকিও দেওয়া হয়। নির্যাতিতা নারী এসপির কাছে এই ঘটনার অভিযোগ জানিয়েছেন। মামলার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

নারী পুলিশকে জানিয়েছে তার দেবর তাকে ধর্ষণ করেছে। এসপিকে দেওয়া অভিযোগে সে জানায় ১১ মে আম্বালায় তার বিয়ে হয়। বিয়েতে তার পরিবার সামর্থ অনুযায়ী পণ দিয়েছিল। কিন্তু বিয়ের প্রথম দিন থেকেই কম পণ আনার জন্য নানা রকম কথা শোনানো হতে থাকে এবং বাড়ি থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা আনার দাবি করা হয়। অভিযোগ তার শাশুড়ি, ভাসুর ও স্বামী তাকে মারধোর ও করে এবং তার দেবর এই ঘটনায় অবৈধ ভাবে ফায়দা লোটে। ১৪ মে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়।

নিজের বয়ানে ওই নারী জানায়, ১৬ মে সে দেবর কে খাবার দিতে তার ঘরে যায়, তখন সে দরজা বন্ধ করে দেয় ও বলপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। এছাড়াও তাকে প্রাণে মারারও হুমকি দেওয়া হয়। যখন সে এই কথা তার স্বামী, শাশুড়ি ও ভাসুরকে বলে তখন তারা তাকে চুপ করিয়ে দেন এবং শাশুড়ি হুমকি দেন এই কথা পাঁচ কান করলে তাকে আগুনে পুড়িয়ে মারবেন। নির্যাতিতা নারী বলে সকলেই তাকে জোর করে একটি সাদা কাগজে সই করিয়ে নেয় এবং তারপর তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। নিজের বাড়ি ফিরে এসে সে সমস্ত ঘটনা পরিবারের লোকেদের জানায়। এরপরই নির্যাতিতা তার পরিবারের লোকের সঙ্গে এসপির কাছে অভিযোগ দায়ের করে। এসপি নির্যাতিতা ও তার পরিবারকে ঘটনার তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।

Comments
Loading...