বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার রায় বুধবার

0 ২১

bishwojitঢাকা: চাঞ্চল্যকর বিশ্বজিৎ দাশ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে বুধবার। নির্মম এ হত্যকাণ্ডের একবছর আটদিন পর রায় হতে যাচ্ছে এ মামলার।

বুধবার এ রায় ঘোষণা করবেন ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবিএম নিজামুল হক।

সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকউটর এস এম রফিকুল ইসলাম জানান সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল বেলা ১২টার দিকে রায় ঘোষণা করবেন বিচারক।

গত ৩ ডিসেম্বর এ মামলায় আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষনার জন্যে এদিন ধার্য করেন বিচারক।

আসামি ও স্বজনদের সাফাই সাক্ষ্য:
এ বছরের ১৯ নভেম্বর আসামিপক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেন আসামি মাহফুজুর রহমান নাহিদ ও তার ভগ্নিপতি রুহুল আমিন। রুহুল আমিন তার সাক্ষ্যে বলেন, ‘ঘটনার দিন নাহিদ ঘটনাস্থলে ছিল না।’ ওইদিন সে তার গ্রামের বাড়ি ভোলাতে ছিল উল্লেখ করে নাহিদকে নির্দোষ দাবি করেন তিনি।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপন:
এ বছরের ২৭ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ তাদের যুক্তিতর্কের শুনানি উপস্থাপন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে বিশেষ পিপি এসএম রফিকুল ইসলাম শুনানি করেন। তিনি যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমান করতে পেরেছেন উল্লেখ করে ট্রাইব্যুনালের কাছে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড প্রার্থনা করেছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানির পরই আসামি পক্ষ যুক্তিতর্কের শুনানি শুরু করেন। ওইদিন আসামি মাহফুজুর রহমান নাহিদের পক্ষে যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ করেছেন তার আইনজীবী।

এরপর আসামি এইচ এম কিবরিয়া ও কাইউম মিয়া টিপুর পক্ষে যুক্তিতর্কের শুনানি শুরু করেন তার আইনজীবী।

সাক্ষ্যদান:
এ মামলায় নিহতের বড় ভাই উত্তম কুমার দাস এবছরের ১২ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালে এসে সাক্ষ্য দেন। হাসপাতালে গিয়েও তিনি তার ভাইকে জীবীত দেখলেও ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ কিনে আসার পর ডাক্তার জানান বিশ্বজিত মারা গেছেন।

বিশ্বজিতকে কোপানোর কথা অস্বীকার:
এ বছরের ১৭ নভেম্বর আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য দিতে গিয়ে অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে বিশ্বজিতকে কোপানোর কথা অস্বীকার করেন প্রধান ঘাতক রফিকুল ইসলাম শাকিল (চাপাতি শাকিল) ।.এদিন শাকিলসহ সকল আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবী করেন।

ওইদিন জেলহাজত থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা ৮ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য-প্রমানে পাওয়া অভিযোগ পড়ে শোনানোর পর তারা দোষী না নির্দোষ এমন প্রশ্নের জবাবে একে একে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

প্রধান অভিযুক্ত চাপাতি শাকিলকে দোষী না নির্দোষ জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, ‘ঘটনার দিন সে ঢাকাতেই ছিলেন না। বাবা অসুস্থ থাকায় সে গ্রামের বাড়িতে ছিল। পরে পুলিশ তাকে ধরে চাপাতি পাওয়া গেছে বলে মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করে।’

ওইদিন এ সম্পর্কে ওই ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি এসএম রফিকুল ইসলাম জানান, সারা দুনিয়ার মানুষ মিডিয়ায় দেখেছে আসামি রফিকুল ইসলাম শাকিল বিশ্বজিতকে কোপাচ্ছে। সেখানে সে সম্পূর্ণভাবে তা অস্বীকার করে কি করে? এমনকি সে সেদিন ঢাকায় ছিল না তাও বলেছে।

আদালতে ভিডিও প্রদর্শন:
এ বছরের ১ অক্টোবর বিচারকের সামনে বিশ্বজিতকে কোপানোর ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। ওই ভিডিও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া থেকে তদন্ত কর্মকর্তা আলামত হিসেবে জব্দ করেন।

স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট এস এম রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভিডিওতে ২১ আসামির মধ্যে ১৬ জন আসামিকেই সনাক্ত করা গেছে। বাকী ৫ আসামিকে পত্রিকায় প্রকাশিত ছবির মাধ্যমে সনাক্ত করা হয়েছে।’

ওই ভিডিও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া থেকে তদন্ত কর্মকর্তা আলামত হিসেবে জব্দ করেছিল।

আসামিপক্ষে অভিযোগ পরিবর্তনের চেষ্টা:
এ বছরের ২২ অক্টোবর মামলায় পূর্ব পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ (দন্ডবিধির ৩০২ ধারা) পরিবর্তনের জন্য ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন আসামি কাইউম মিয়া টিপু ও জিএম রাশেদুজ্জামান শাওনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহ আলম। কিন্তু শুনানি শেষে ঢাকার ২ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. নুরুজ্জামান ওই আবেদন নাকচ করেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, এ মামলায় দন্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪  ধারায় চার্জ গঠন করা হয়েছে। ৩০২ ধারায় চার্জ গঠন করতে হলে আসামিদের খুনের পূর্ব পরিকল্পনা থাকতে হবে। কিন্তু এক্ষেত্রে বিশ্বজিত হত্যায় আসামিদের কোন পূর্ব পরিকল্পনা ছিলনা। সাময়িক উত্তেজনার বশে খুনটি সংগঠিত হয়েছে। সেক্ষেত্রে ৩০২ ধারায় চার্জ গঠিত না হয়ে ৩০৪ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠিত হবে।

প্রসঙ্গত, ৩০৪ ধারায় খুন বলে গণ্য নয় এরূপ দণ্ডণীয় নরহত্যার জন্য সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন ও সর্বনিম্ন ১০ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। অন্যদিকে অভিযোগ গঠন হওয়া ৩০২ ধারায় পূর্ব পরিকল্পিত হত্যার অপরাধে মৃত্যুদন্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদন্ডের বিধান রয়েছে।

চার্জশিট গ্রহণ:
এ বছরের ২ এপ্রিল ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান এ মামলায় ২১ ছাত্রের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত চার্জশিট গ্রহণ করে পলাতক ১৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেন।

চার্জশিট দাখিল:
এ বছরের ৫ মার্চ মামলাটিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ ছাত্রকে অভিযুক্ত করে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের আদালতে চার্জশিট দাখিল করে গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি।

বিশ্বজিত হত্যাকাণ্ডের ২ মাস ২৪ দিন পর আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

এ মামলায় মোট ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে ৭ জন জেলহাজতে আছেন। পলাতক আছেন ১৪ জন। ওই চার্জশিটে চার জনকে এ মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। মামলায় সাক্ষী করা হয় মোট ৬০ জনকে।

চার্জশিটভূক্ত ২১ আসামী হলেন, ছাত্রলীগ ক্যাডার রফিকুল ইসলাম শাকিল (চাপাতি শাকিল), মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জিএম রাশেদুজ্জামান শাওন, এইচ এম কিবরিয়া, কাইউম মিয়া টিপু, সাইফুল ইসলাম, রাজন তালুকদার, খন্দকার মো. ইউনুস আলী, আজিজুল হক, তারিক বিন জোহর তমাল, গোলাম মোস্তফা, আলাউদ্দিন, ওবায়দুর কাদের তাহসিন, ইমরান হোসেন ইমরান, আজিজুর রহমান আজিজ, মীর মো. নূরে আলম লিমন, আল-আমিন শেখ, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, কামরুল হাসান ও মোশারফ হোসেন।

দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি:
এ মামলায় জেলহাজতে থাকা ৭ জনের মধ্যে শাকিল, নাহিদ, এমদাদ ও শাওন আদালতে স্বীকারোক্তি করেছেন।

গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর সাত দিন রিমান্ডের মধ্যে মাত্র ৪ দিন রিমান্ড শেষে আসামি এমদাদ ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার মাহমুদ আদনানের কাছে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

ওই স্বীকারোক্তিতে এমদান জানায়, ‘ভাই আমি হিন্দু…… হিন্দু, জামায়াত-শিবির না’ বলে চাপাতির-ছুরি কোপ খেতে খেতে চিৎকার করছিল পুরান ঢাকার দর্জি দোকানী বিশ্বজিৎ দাস। এ চিৎকার শুনেও তাকে রড দিয়ে খোঁচা ও বাড়ি মেরেছিল বলে আদালতে স্বীকার করেছে ছাত্রলীগ কর্মী এমদাদুল হক এমদাদ।

গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর এ হত্যাকান্ডের মূলনায়ক রফিকুল ইমলাম শাকিল এবং অপর দুইজন রাশেদুজ্জামান শাওন ও মাহফুজুর রহমান নাহিদ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এরফান উল্লাহর আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

যারা অব্যাহতি পেলেন:
এছাড়া অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় এ মামলায় জেলহাজতে থাকা যে ৪ জনকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে এরা হলেন, মামুন অর রশিদ, ফারুক হোসেন, কাজী নাহিদুজ্জামান তুহিন ও মোসলেহউদ্দীন মোসলেম।

আসামিদের রিমান্ড:
এ হত্যার মূলনায়ক মো. রফিকুল ইসলাম শাকিলসহ মাহফুজুর রহমান নাহিদ, কাইয়ুম মিয়া টিপু ও এইচ এম কিবরিয়াকে রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।

২০১২ সালের ১৪ ডিসেম্বর হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মাহফুজুর রহমান নাহিদ, কাইয়ুম মিয়া টিপু ও এইচ এম কিবরিয়াকে আটদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার মাহমুদ আদনান।

গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর আসামী এমদাদকে ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহম্মেদ।

গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর রাশেদুজ্জামান শাওন ও এই সাইফুল ইসলামকে ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এম এ সালাম।
আসামীদের মধ্যে সাইফুল ইসলামকে দুই দফায় ৮ দিন ও ৫ দিন করে মোট ১৩ দিন রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

আলামত উদ্ধার:
গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর রাতের বেলা বিশ্বজিত হত্যায় ব্যবহৃত চাপাতিটি ময়লার নীচ থেকে নিজ হাতে বের করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় রফিকুল ইসলাম শাকিল (চাপাতি শাকিল)।

মামলার তদন্ত:
প্রথমে মামলাটির তদন্ত করছিলেন সূত্রাপুর থানার এসআই মাহবুবুল আলম আকন্দ মামলাটি তদন্ত করে আসছিলেন। এরপর গত ১৫ ডিসেম্বর তদন্তভার ডিবি ইন্সপেক্টর তাজুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আসামিদের গ্রেপ্তার:
গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গভীর রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার স্বপ্নপুরী আবাসিক হোটেল থেকে এমদাদকে গ্রেপ্তার করে।এমদাদ সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এ জন্য তিনি শীতের পোশাক বিক্রিতা সেজে স্বপ্নপুরী হোটেলে আশ্রয় নেন।

এদের মধ্যে মামুন অর রশিদ, ফারুক হোসেন, কাজী নাহিদুজ্জামান তুহিন ও মোসলেহউদ্দীন মোসলেমকে গত ১১ ডিসেম্বর ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় সন্দেহজনক আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়।

আসামিদের পরিচয়:
রিমান্ডকৃত এমদাদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০০৪-০৫ শিক্ষা বর্ষের ছাত্র এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কর্মী। এমদাদের গ্রামের বাড়ি যশোরের শার্শা উপজেলার পাঁচপাউবা গ্রামে। তার পিতার নাম মৃত আকরাম আলী।

সরকারের দায় এড়ানোর চেষ্টা:
এ ঘটনায় দেশব্যাপী তোলপাড় শুরু হয়। বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো এ হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ প্রদর্শন করে। ফুটেজ দেখে হত্যাকারীদের শনাক্ত করা গেলেও সরকারের মন্ত্রী ও শীর্ষ নেতারা বিষয়টি পাশ কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। হত্যাকারীরা সরকারি দলের ছাত্র সংগঠনের সদস্য হলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, এ ঘটনায় ছাত্রলীগের কেউ জড়িত নয়। আসামি গ্রেপ্তার নিয়েও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একেক সময় একেক ধরনের বক্তব্য দেন।

সনদ বাতিল ও বহিষ্কার:
এদিকে বিশ্বজিৎ হত্যায় জড়িত রফিকুল ইসলাম শাকিল, মীর মোহাম্মদ নুরে আলম লিমন ও ওবায়দুল হককে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার এবং মাহফুজুর রহমান নাহিদ ও মোঃ এমদাদুল হকের সনদ বাতিল করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

এছাড়া মো. রফিকুল ইসলাম শাকিল, মীর মো. নূরে আলম, মো. ওবাইদুল কাদের, কাইয়ুম মিয়া টিপু, রাজন তালুকদার, সাইফুল ইসলাম ও জিএম রাশেদুজ্জামান শাওনকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদন ও ছবির আলোকে এবং প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর এক জরুরি সভায় এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিশ্ববিদ্যালয় আইন-শৃঙ্খলা কমিটি ও প্রক্টোরিয়াল বডি।

হত্যাকাণ্ড:
গত বছর ৯ ডিসেম্বর ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রলীগ ক্যাডারদের হাতে নির্মমভাবে খুন হন দর্জি দোকানী বিশ্বজিৎ দাস। তার গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর মশুরা গ্রামে।

ওইদিন রাতেই অজ্ঞাতনামা ২৫ জন আসামির বিরুদ্ধে সূত্রাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন সংশ্লিষ্ট থানার এসআই  জালাল আহমেদ।

আর ডি 

Comments
Loading...