হ্যান্ডকাপ পরিয়ে স্ত্রী নির্যাতন, পুলিশের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা

0 ২২

image_95359_0 copyচট্টগ্রাম: স্ত্রীকে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে নির্যাতনের অভিযোগে সিএমপির সদরঘাট থানার উপ সহকারি পরিদর্শক (এএসআই) মুছা মিয়ার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন-১ এর বিচারক রেজাউল করিম এর আদালতে নির্যাতনের শিকার ইসরাত সুলতানা প্রমি বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন- এএসআই মুছা মিয়া, তার বড়ভাই সিরাজ মিয়া ও বড় ভাইয়ের স্ত্রী দিল আফরোজ চুমকি। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য চট্টগ্রাম চিফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে (সিএমএম) নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে অভিযোগ ওঠার পর পরই তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রহিমা বেগম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর মীরসরাই উপজেলার সোনাপাহাড় এলাকার বাসিন্দা আব্দুল্লার মেয়ে ইসরাত সুলতানা প্রমির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের কারণে প্রায়সময় স্ত্রী প্রমিকে মারধর করত তার স্বামী মুছা মিয়া।

সর্বশেষ ৪ জুন নগরীর পূর্বমাদারবাড়ির একটি ভাড়াবাসায় প্রমির উপর অমানুষিক নির্যাতন করে হ্যান্ডকাপ দিয়ে দু’হাত বেঁধে বাইরে চলে যায় মুছা। বন্দী অবস্থায় রাত তিনটার দিকে প্রমি মোবাইল ফোনে তার পরিবারকে খবর দিলে তারা তাকে উদ্ধার করে ৫ জুন সকালে সদরঘাট থানায় নিয়ে যান। অভিযুক্ত মুছার কর্মস্থল সদরঘাট থানায় বিষয়টি অবহিত করে তাকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এরপর তিনি সুস্থ হয়ে মঙ্গলবার ১০ জুন চট্টগ্রামের একটি আদালতে তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করেন। এদিকে সদরঘাট থানার ওসি প্রণব কুমার চৌধুরী বলেন, ‘পুলিশের এএসআই মুছার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠার পরপরই তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।’

Comments
Loading...