টেন্ডার জমা নিয়ে হট্টগোল, ছাত্রলীগ নেতার ভিডিও ভাইরাল

0 ৫৪

সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাবেদ হোসেন বক্করের টেন্ডার বাণিজ্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে হাসপাতালের কাজের একটি টেন্ডাল জমা নিয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি বক্কর ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুল্লাহ বাহার রোহিদের নেতৃত্বে একদল ছাত্রলীগ নেতা নির্ধারিত সময়ের পর টেন্ডার ফেলতে গিয়ে ব্যাপক হট্টগোল ও কর্তৃপক্ষকে গালিগালাজ করেন। গতকাল শুক্রবার থেকে এ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে ভাইরাল হয়। শুক্রবার ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি জাবেদ হোসেন বক্কর দলবল নিয়ে দরপত্রে অংশ নিতে লালমনিরহাট জেলা সদরের ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে নির্ধারিত সময়ের পরে যান। প্রথমে কর্তৃপক্ষ সময় চলে গেছে এমনটা বললে, বক্কর, রোহিদসহ তাদের অনুসারীরা ব্যাপক গালিগালাজ ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। জানা গেছে, লালমনিরহাট জেলা সদরে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের এম.এস.আর সামগ্রী ক্রয়ের নিমিত্তে গত বছরের ২ ডিসেম্বর দরপত্র আহবান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। দরপত্র গ্রহণের শেষ সময় ছিল ৩ জানুয়ারি সকাল ১১ টা পর্যন্ত।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জেলা সভাপতি বক্কর নির্ধারিত সময়ের পরে দলবল নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের সামনেই জোরপূর্বক তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে প্রবেশ করে টেন্ডারে অংশ নেয়ার প্রচেষ্টা চালায়।

এসময় নির্ধারিত সময়ের পরে দরপত্রে অংশ নিতে গেলে কর্তৃপক্ষ তাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করে, কিন্তু সে কারো কথায় কর্ণপাত না করে বিধিবহির্ভূতভাবে দরপত্রে অংশ নেয়ার চেষ্টা চালায়। এসময় একজনকে তাকে পা ধরে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করতে দেখা গেছে। এসময় তার সঙ্গে লালমনিরহাট পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফ আহমেদ মোহন, জেলার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রোহিত, রিদানসহ অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত থেকে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। জানতে চাইলে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি জাবেদ হোসেন বক্কর মানবজমিনকে বলেন, আমার কোনো টেন্ডারবাজি করার ইতিহাস নেই। আমার নিজের কোন লাইসেন্সও নাই। তবে আমার বাবা ঠিকাদারি ব্যবসা করে। কেউ কেউ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে উল্টো আমার বাবাকেই নানাভাবে তার ঠিকাদারি কাজে বাধাগ্রস্ত করছেন।

mzamin

Comments
Loading...