ফাইজারের টিকা নিয়েছেন যারা তাদের করোনা সংক্রমণ ৮ গুণ বেশি, বলছে গবেষণা

0 ২৮১

ইসরায়েলের তেল আবিব ইউনিভার্সিটি ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ক্লেলিট’র যৌথ গবেষণার এধরনের ফলাফলে অনেকে হতাশ হচ্ছেন। তাদের নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে করোনা ভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট বি.১.৩৫১ ফাইজার/বায়োএনটেকের টিকার কোডকে ভেঙে ফেলে। ফলে এই টিকা যারা নেননি তাদের তুলনায় যারা টিকা নিয়েছেন তাদের মধ্যে করোনা সংক্রমণের হার আটগুণ বেশি।

প্রায় ৪০০ মানুষের ওপর গবেষণার ফল প্রকাশ করা হয় শনিবার। করোনা পজেটিভ হওয়ার পর ফাইজারের টিকার একটি বা দুটি ডোজ নিয়েছেন এমন ৪০০ ব্যক্তির বিপরীতে টিকা নেননি এমন ৪০০ ব্যক্তির ওপর ওই গবেষণা করা হয়। গবেষণায় অংশ নিয়েছেন এমন সব ব্যক্তির মধ্যে শতকরা প্রায় ১ ভাগের শরীরে রয়েছে বি.১.৩৫১ নামের দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট।

যারা টিকার একটি বা দুটি ডোজ নিয়েছেন তাদের মধ্যে এই ভাইরাস সংক্রমণের শতকরা হার ৫.৪ ভাগ। অন্যদিকে যারা টিকা নেননি তাদের মধ্যে এই সংক্রমণের হার শতকরা ০.৭ ভাগ।

দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কম কার্যকর এই টিকা। সাধারণ মাত্রার করোনা ভাইরাস যে হারে বিস্তার লাভ করে, টিকা নেয়ার পর তা আটগুণ বেড়ে যায়। এ বিষয়ে তেল আবিব ইউনিভার্সিটির আদি স্টার্ন বলেন, যারা দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছেন তাদের মধ্যে অসামঞ্জস্যভাবে উচ্চহারে দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট দেখতে পেয়েছি আমরা। তবে যারা টিকা নেননি, তাদের মধ্যে এই সংক্রমণ হার অনেক কম।

গবেষকরা ইসরায়েলে সংক্রমণের হার কম হওয়ার কারণে দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ পরীক্ষা করার জন্য তারা ক্ষুদ্র আকারে নমুনা নিয়েছিলেন গবেষণায়।

তারা বলছেন, সব টিকার কার্যকারিতাকে খাটো করে দেখার উদ্দেশে তাদের গবেষণা নয়। গবেষণার এ বিষয়ে ফাইজার বা বায়োএনটেকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে সাড়া মেলেনি। সূত্র : রয়টার্স

শীর্ষনিউজ

Comments
Loading...