শ্যামল দত্ত আর ফারজানা রুপারে ইন্ডিয়া পাঠান

0 ১০২
ভারতের নদীগুলোতে ভেসে আসছে অগুনতি করোনা রোগীর মৃতদেহ। দাহ করার জায়গা নেই। সেই মৃতদেহগুলোকে উদ্ধার করে নদীর পাশের বালুতে জাস্ট পুতে দেয়া হচ্ছে। খুবই মর্মান্তিক দৃশ্য।
আমি এই প্রসঙ্গে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, করোনা যখন শুরু হলো তখন একাত্তর টিভিতে শ্যামল দত্ত আর ফারজানা রুপা আলোচনা তুলেছিলেন, করোনা রোগীর মৃতদেহ পুড়িয়ে দেয়া যায় কিনা? ওই অনুষ্ঠানে অধ্যাপক এবিএম আব্দুল্লাহও ছিলেন। তিনি এই আলাপে খুবই বিব্রত হচ্ছিলেন। তিনি বলেই বসলেন, মৃতদেহ পুড়িয়ে দেয়ার রিকমেন্ডেশন তিনি করতে পারেন না।
শ্যামল দত্ত, বা ফারজানা রুপা ডাক্তার নন, পরিবেশ বিশারদ নন, মৃতদেহ সৎকার বিশেষজ্ঞ নন তবুও একটা মুসলিম মেজরিটি দেশে মৃতদেহ পুড়িয়ে দেবার রিকমেন্ডেশন করে বা আলাপ তুলে তিনি অর্গাজমের সুখ পেতে চাচ্ছিলেন। অবশ্য মুসলমানদের মধ্যেও এইরকম অর্গাজমের সুখ পাওয়া লোকের খোজ পাই মাঝে মাঝে যারা হিন্দুদের গোমাংস খাওয়ায়ে অর্গাজমের সুখ পায়।
বিচিত্র এক দেশরে ভাই। শুধু কমনসেন্সের অভাবে হাতেগোনা কিছু মানুষ দেশটারে নরক বানায়ে দিছে।
যাই হোক, শ্যামল দত্ত আর ফারজানা রুপারে ইন্ডিয়া পাঠান। মৃতদেহগুলোরে বালি চাপা না দিয়ে পুড়ায়ে দিয়ে আসুক। এতোই পুড়ানোর শখ।
Comments
Loading...