‘যন্ত্রণার কারণ কমলাপুর রেলস্টেশন’

0

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, কমলাপুর রেলস্টেশন আমাদের জন্য সবচেয়ে বেশি যন্ত্রণার কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যে রিভিউ সংক্রান্ত গঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

রেলওয়ে স্টেশন ও সদরঘাটের বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল বলেন, এক সময় শহর ছিল ছোট, মানুষের সংখ্যা ছিল কম। এজন্য রেলওয়ে স্টেশনকে কেন্দ্র করে কিন্তু উন্নয়নগুলো হয়েছে। এখন এমন একটা জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছে যে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনটা আমাদের জন্য সবচেয়ে বেশি যন্ত্রণার কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে। সময়ের ব্যবধানে আমরা এখন এসব বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে পারি। সে চিন্তা এভাবে বিসমিল্লাহ আকারে নয়। আমাদের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে হবে। এবছর এতটুকু করবো পরের বছর এতটুকু করবো। এতে করে আস্তে আস্তে আমাদের চাহিদাগুলো পূরণ হয়ে যাবে। এসব বিষয় মাথায় রেখে কাজ করতে হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, আমাদের দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য জনগণের অংশ গ্রহণ অপরিহার্য। জনগণ যখন আমাদের পাশে থাকবে তখন তারা বুঝবে যে আমরা ভালো কাজ করছি। কোনো পক্ষের ক্ষতির জন্য ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) পাস করা হচ্ছে না। দেশে বসবাসরত সব শ্রেণি পেশার মানুষের সীমাবদ্ধতার মধ্যে যতটুকু সুবিধা নিবিঘ্নে দেওয়া যায় তার সবগুলো রাখা হয়েছে। এ প্ল্যানে সবাইকে যথাযথ সম্মান করা হয়েছে। ব্যবসায়ী ও বিল্ডারদের অবদান যাতে খর্ব করা না হয় সে বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

তাজুল ইসলাম বলেন, পুরো ঢাকা সিটির জন্য বারবার প্ল্যান না করে, আমরা বিসমিল্লাহ আকারে করছি। এর ফলে আমাদের অনেকগুলো সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে। এক্ষেত্রে রাজউক ও পূর্ত মন্ত্রণালয় লিড দিতে পারে। অন্যান্য সহযোগী হিসেবে তারা কাজ করবেন। একাজটা আমাদের করতে হবে। না করলে এ শহর আমাদের বসবাসের জন্য হুমকির সম্মুখীন হয়ে যাবে।

বাস-বে বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল বলেন, আধুনিক নগরীতে একটা বাস বে দরকার। এটা করতে আমাদের অনেকগুলো সীমাবদ্ধতা রয়েছে। মহাখালী থেকে মতিঝিল পর্যন্ত রাস্তার পাশে জায়গা পাওয়া কঠিন। বাসের স্প্রিড, ট্রাফিকসহ সব কিছু বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বন ও পরিবেশ মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ উদ্দিন, রাজউক চেয়ারম্যান (সচিব) এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরিসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা।

Comments
Loading...