টিভি স্বত্ত্বের এই মূল্যে খুশি বিসিবি

0 ২২

tv_rights_bg_667607156ঢাকা: ২০১৪ থেকে ২০২০ সালের মে পর্যন্ত ছয় বছরের জন্য খেলা সম্প্রচারের টিভি স্বত্ত্ব পেল গাজী স্যাটেলাইট (গাজী টিভি)। শুক্রবার স্থানীয় একটি হোটেলে বিডে অংশ নিয়ে তারা এক্সক্লুডিং প্রোডাকশন কস্ট অনুযায়ী এই স্বত্ত্ব পায় তারা।

একটু বেশি দাম হাঁকার কারণে গাজী স্যাটেলাইট (গাজী টিভি) এই দায়িত্ব পাচ্ছে। নাজমুল হাসান বলেন,‘ মিডিয়া রাইটসের জন্য একটা সিদ্ধান্ত হয়েছিল। আপনারা জানেন যে শুধু দুই কোম্পানি অংশগ্রহণ করেছে। একজন মিট করেছে। ফ্লোর প্রাইস যেটা ছিল সেটা আরেকজন মিট করেনি। সামান্য একটু বেশিতে ফ্লোর প্রাইজ দিয়ে গাজী টিভি নিয়েছে। তাদের ডকুমেন্ট যা কিছু আছে সব কিছুই ঠিক আছে। এবং তারা আর্থিক ভাবেও স্বচ্ছল। কোন অসুবিধা নেই । ওদেরকে দেওয়া যেতে পারে। তাই আমরা তাদেরকে এ কাজটা দিয়ে দিচ্ছি।’

সবার সন্দেহ দূর করার জন্যে ওপেন বিট আলোচনা হয়েছে। তিনি আরো বলেন,‘মিডিয়া রাইটসে অনেকের মধ্যে সন্দেহ রাখতে পারে। অপশনের সুযোগ থাকতে পারে যদি ক্লোজ হতো। তাহলে আমি আলাপ আলোচনা করে কাউকে কম দিলাম এসব কথা উঠতে পারে। আমরা এজন্য এটা নিশ্চিত করার জন্য ওপেন বিডিং করেছিলাম। এখানটায় যারা সর্বোচ্চ দিবে তারা নিয়ে যাবে আমাদের কিছু করার নেই। আমরা খুব খুশি।’

বিসিবি’র মার্কেটিং এন্ড ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান কাজী এনাম আহমেদ বলেন,‘এখানে ওপেন বিডিং ছিল, সবাইকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক সকল ব্রডকাস্টারদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। তিনটি মেজর ব্রডকাস্টার টেন্ডার ডকুমেন্ট ক্রয় করেছে। তাদের একজন বাংলাদেশে এসেছিল। কিন্তু তারা আমাদের ফ্লোর প্রাইজ দেওয়ার পর তারা কেউ অংশগ্রহণই করেনি। তাদের মতে এ ভিত্তিমূল্যটা অনেক হাই ছিল। আমরা যে ফ্লোর প্রাইজটা দিয়েছি দুটি কোম্পানি সাবমিট করেছে। আর একজন এটা হাই বলে মিটও করতে পারেনি। পুরোপুরি সুযোগ ছিল সকলের অংশগ্রহণ করার।’

গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন,‘আমাদের সবচেয়ে বেশি খরচ কিন্তু হয় টেস্ট ম্যাচে। প্রোডাকশন খরচ। সেটার কিন্তু বিজ্ঞাপনী আয় কম। আমাদের গত শর্তে যেটা ছিল ২০০৬-২০১২ পর্যন্ত। আমাদের কিন্তু ২৩টা টেস্ট ম্যাচ ছিল। খেলা হয়েছিল ১৬টা। এবার কিন্তু সামনে আমাদের ৩১টা টেস্ট ম্যাচ আছে। ১৭০ দিনের খেলা থেকে সেটা বেড়ে দাড়িয়েছে ২১২ দিন। প্রোডাকশসন খরচ কিন্তু এখানে অনেক বেশি হবে।’

Comments
Loading...