নোয়াখালীতে বিএনপির মিছিলে পুলিশের হামলা, আহত ৬ এর অধিক

0

image_112830_0নোয়াখালী: নোয়াখালীতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের মিছিলে পুলিশ গুলিবর্ষন করেছে। এতে অন্তত ৬জন আহত এবং শহর থেকে ৬জনকে আটক করা হয়। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে ১০ জনকে আটক করা হয় বলে দাবি করা হয়েছ। এ সময় দুটি গাড়ি ভাঙচুর ও একটি সিএনজি অটোরিকশায় আগুন দেয়া হয়।
সোমবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নোয়াখালী প্রেসক্লাব চত্বর থেকে  জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী পৌর মেয়র হারুনর রশিদ আজাদের নেতৃত্বে ২০ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে মিছিলটি সমবায় মার্কেট পর্যন্ত পৌঁছলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির সংঘর্ষ শুরু হলে পুলিশ  গুলিবর্ষণ করলে পুরো জজকোর্ট সড়ক রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
পুলিশের গুলি ও বিএনপি কর্মীদের ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় জাফর আহম্মেদ (৬৭) ও ফারুক (৩২) নামের দুই চা দোকানিসহ অন্তত ছয়জন আহত হন। এরআগে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর নাপিতের পুল এলাকা থেকে বিএনপির কর্মীরা মিছিল নিয়ে শহরের দিকে আসার সময় স্টেডিয়াম এলাকায় পুলিশ গুলি ছুড়ে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। একই সময়ে শহরের ইসলামীয়া সড়কে বিএনপি কর্মীরা মিছিল বের করার চেষ্টা করলে পুলিশ গুলি ছোড়ে। এছাড়া পৌর বাজারের সামনে বিএনপি কর্মীরা দুটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্বনাথের মোড়ে একটি সিএনজি অটোরিকশায় আগুন ধরিয়ে দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়- শহরের পৌর বাজারে বিএনপি নেতাকর্মীরা সমাবেশ করতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এরপর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পুরো শহরে ছড়িয়ে পড়ে। এসব ঘটনার পরপরই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা রাস্তায় নেমে আসলে শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ পিন্টু ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীনের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এদিকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ আজাদ জানান, গণতন্ত্র হত্যা দিবসের কর্মসূচী পালনের জন্য শহরের পৌরবাজারে সমাবেশ করার জন্য পুলিশের কাছ থেকে তারা মৌখিক অনুমতি নিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়াই পুলিশ তাদের সমাবেশ করতে দেয়নি। এছাড়া বিনা উস্কানিতে বিএনপির মিছিলে গুলি করে এবং ছয় কর্মীকে আহত করে। এছাড়া সকাল থেকে অন্তত ১০জনকে আটক করেছে।
পুলিশ সুপার ইলিয়াছ শরীফ বলেন, “বিএনপিকে কোনো সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। জজকোর্টের ঘটনায় পুলিশ ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়ে, জর্জকোর্ট রোডের গুলির হিসাব তিনি পাননি। এছাড়া সকাল থেকে ছয় জনকে আটক করা হয় বলে জানান তিনি।

আর ডি

Comments
Loading...