সিরীয় বিদ্রোহীদের হাতে আটক জাতিসংঘের ৪৩ শান্তিরক্ষী

0

image_68663_0আল কায়েদা সমর্থিত সিরীয় বিদ্রোহীরা বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীর ৪৩ সদস্যকে আটক করেছে। আরো ৮১ সেনাকে তারা অবরুদ্ধ করেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। গোলান মালভূমির ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত অংশে এসব সেনাকে আটক ও অবরুদ্ধ করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, সিরিয়ায় বাশার আল আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইরত নুসরা ফ্রন্ট এ কাজ করেছে।

বিদ্রোহীদের হাতে আটক হওয়া ৪৩ সেনা আফ্রিকার দেশ ফিজির। তারা গোলান মালভূমির কুনিত্রা এলাকায় বিদ্রোহীদের হাতে ধরা পড়ে। এ এলাকাটি সিরিয়া থেকে ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত মালভূমিতে যাওয়ার প্রবেশ পথ।

অন্যদিকে, আটকেপড়া ৮১ সেনা ফিলিপাইনের। এদের রুইহিনাহ এলাকায় অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। এসব সেনা বিদ্রোহীদের কাছে অস্ত্র সমর্পণ করতে অস্বীকার করায় তাদের অবরুদ্ধ করা হয় বলে জানিয়েছে ফিলিপাইন সরকার।

বৃহস্পতিবার কুনিত্রা এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে নুসরা ফ্রন্টসহ অন্য সিরীয় বিদ্রোহীদের লড়াই হয়। এর পরেই ওই এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায় বিদ্রোহীরা। এ সময়েই জাতিসংঘ নিযুক্ত শান্তিরক্ষীদের আটক করে তারা।
এর আগে, নুসরা ফ্রন্টকে সন্ত্রাসী গ্রুপ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ।
১৯৬৭ সালে আরব যুদ্ধের সময় গোলান মালভূমির বিরাট অংশ দখল করেছিল ইসরায়েল।
গোলান মালভূমির দখল নিয়ে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই লড়াই করছে সিরিয়া ও ইসরায়েল। মালভূমির ‘এরিয়া অব সেপারেশন’ অংশে বর্তমানে কোনো দেশেরই নিয়ন্ত্রণ নেই। ১৯৭৪ সালে সম্পাদিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওয়তায় রয়েছে এটি। এখানে যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর এক হাজার ২২৩ সদস্য। এরা ফিজি, ভারত, আয়ারল্যান্ড, নেপাল, নেদারল্যান্ড ও ফিলিপাইনের সেনা। এর আগে সেখান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে অস্ট্রিয়া, জাপান ও ক্রোয়েশিয়া।
জাতিসংঘ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত বছর গোলান মালভূমি থেকে দুই দফা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের অপহরণ করা হয়েছিল। তবে পরে তাদের নিরাপদে ছেড়ে দেওয়া হয়।
তথ্যসূত্র : আল জাজিরা।

Comments
Loading...