যেমন পুরুষদের একেবারেই পছন্দ করেন না নারীরা

0

image_66754_0নারী পুরুষ উভয়েই প্রেম সম্পর্কে বুঝে যাওয়ার পর থেকেই নিজের জীবনসঙ্গীর সম্পর্কে অনেক কিছু ভেবে রাখেন। তার সঙ্গী কেমন হবে, তার মনোমানসিকতা কি ধরণের হতে পারে, তিনি কি করবেন, তার প্রতি ভালোবাসা কিভাবে প্রকাশ করবেন, জীবন কিভাবে চলবে আরও অনেক কিছু। এইসকল জিনিস ভেবে নিয়ে নিজেরা মনে মনে পছন্দের মানুষটির কিছু বৈশিষ্ট্য ভেবে নিয়ে থাকেন। বিশেষ করে মেয়েরা অনেক কিছুই ভাবেন নিজের জীবন সঙ্গী নিয়ে। তার মধ্যকার বিশেষ যে বৈশিষ্ট্য তার পছন্দ তা নিয়ে ভেবে আনন্দিত হয়ে থাকেন এবং কিছু বৈশিষ্ট্য আলাদা করে ধরে রাখেন যা একেবারেই অপছন্দের। মেয়েরা জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের ছেলেদের একেবারেই পছন্দ করতে পারেন না। ছেলেদের এই বৈশিষ্ট্যগুলো মেয়েদের কাছে একেবারেই অপছন্দের।

ব্যক্তিত্বহীন পুরুষ

কোথায় কখন কোন কথাটি বলতে হবে এবং কার সাথে কিভাবে কথা বলতে হবে অথবা নিজের ব্যক্তিত্ব কার কার সামনে ধরে রাখতে হবে এই সকল বিষয় যে পুরুষটি বুঝতে পারেন না তারাই বলতে গেলে ব্যক্তিত্বহীন পুরুষের পর্যায়ে পড়েন। এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে মেয়েরা এই ধরণের পুরুষ একেবারেই পছন্দ করেন না।

অতিরিক্ত খবরদারী করতে যাওয়া পুরুষ

সব কাজে সব কিছুতে যে পুরুষটি খবরদারী করতে আসেন মেয়েরা তাদেরকে একেবারেই পছন্দ করতে পারেন না। অনেক ব্যাপারে মেয়েরা ছেলেদের অনেক কথাই মেনে নিয়ে থাকেন। কিন্তু তাই বলে প্রত্যেকটি বিষয়ে ধরা বাঁধা কেউই পছন্দ করেন না। এই বাঁধা অসহ্য মনে হয় কিছুদিনের মধ্যেই। নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকলে এই বৈশিষ্ট্যটি বেশি খারাপ নয়। কিন্তু ছেলেরা খবরদারী করতে গেলে সীমার বাইরেই চলে যান। তাই ছেলেদের এই বৈশিষ্ট্য একেবারেই অপছন্দ মেয়েদের।

নিজেকে বড় বলে জাহির করা পুরুষ

যে ছেলেরা অনেক মিষ্টি কথা বলে থাকেন তাদের প্রতি মেয়েদের একটি আলাদা সহানুভূতির সৃষ্টি হয়। এবং সেখান থেকেই ভালোবাসার সূচনা। মিষ্টি কথা পছন্দ করলেও যে ছেলেরা নিজেকে বড় বলে জাহির করেন তাদের মেয়েরা একেবারেই পছন্দ করতে পারেন না। মিষ্টি কথাতেও যদি আপনি নিজেকে বড় করে জাহির করতে চান তবে আপনি অপছন্দের মানুষের তালিকাতেই পড়বেন।

অনেক বেশি সন্দেহপ্রবণ পুরুষ

একজন মানুষকে ভালোবাসলে তার প্রতি বিশ্বাস রাখাটা সম্মান প্রদর্শনের মধ্যে পড়ে। ভালোবাসার মানুষটিকে সব সময় সন্দেহ করা এবং সন্দেহ করে নিয়ে অযথা বিরক্ত করা তাকে অপমান করার সামিল। পুরুষের মধ্যে এই সমস্যাটি অনেক বেশিই দেখা যায়। এখানে যেতে পারবে না, রাতে দেরি করে বাসায় ফিরবে না, ওই বন্ধুটির সাথে কথা বলবে না ইত্যাদি ধরনের কথা সন্দেহ করা প্রকাশ করে। এই ধরণের কথা যে পুরুষেরা বলেন তাদের নারীরা একবারেই সহ্য করতে পারেন না।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More