জয়ের ৩০০ মিলিয়ন ডলারের ব্যাংক ব্যালেন্সের তথ্য FBI ও বিএনপির হাতে: ঠিকানা (ডুকুমেন্টস সহ)

0
ঠিকানা এর সেই কাটিং
ঠিকানা এর সেই কাটিং

Rage Ezekiel

নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ঠিকানা এর আগাম এক কপির ছবি ফেসবুকে আপলোড করায় অনেকে দেখলাম বেশ অবাক হলেন। জয়ের একাউন্টে ৩০০ মিলিয়ন ডলারের ব্যাপারটি বিএনপি ও এফবিআই বিশ্বাসই করতে চাইলেন না।

কিন্তু একটু খোঁজ করেই রবার্ট লাস্টিক, ইয়োহান থেলারের কেস সামারি (ইন্ডাইটমেন্টের কপি) পেলাম। সেখানে মোট ৭ টা কাউন্টে অভিযোগ আছে। সেই অভিযোগের ডিটেইল্ড বডিতেই সেই ৩০০ মিলিয়ন ডলারের সত্যতা নিহিত আছে। [১]

এখানে প্রথম স্ক্রিনশটে মামলার ডিফেন্ডেন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ সে ২০১১ সালে এফবিআই এর ডাটাবেজে ঢুকে এফবিআই এর একটি ইন্টারনাল মেমো এক্সেস করে, যেখানে ‘ইন্ডিভিজুয়াল ১’ এর নামে ৩০০ মিলিয়ন ডলারের ব্যাপারে আলচিত।

৩০০ মিলিয়ন ফিগার হাওয়া থেকে পাওয়া নয়

৩০০ মিলিয়ন ফিগার হাওয়া থেকে পাওয়া নয়

ঠিকানা এর সেই রিপোর্টের আরেকটা অংশ হচ্ছে যে বিএনপি এর কাছে সেই নথি আছে, সেইটাও কিন্তু সেই কেস রিপোর্টেই আছে। নীচের অংশে দেখবেন সিজার আহমেদ নিজেই বলছেন যে ৩০০ মিলিয়ন ডকুটির ইনভেস্টিগেশনের কি হল, তার মানে ৩০০ মিলিয়নের এফবিআই মেমোটি তার কাছেও আছে !! মানে বিএনপি এর কাছেও সেই মেমো চলে গিয়েছিল, সেই ২০১১ সালেই !!

বিএনপি এর কাছে নথি যাওয়ার প্রমাণ

বিএনপি এর কাছে নথি যাওয়ার প্রমাণ

ব্যাপারটা যে ‘ইন্ডিভিজুয়াল ১’ এর জন্য বিব্রতকর, সেটার প্রমাণ পাওয়া যায়  লাস্টিক আর থেলারের এই কথোপকথন থেকেই, যেখানে সিজার চাহিদামত টাকা না দেওায় ক্ষিপ্ত এই দুইজন নিজেদের মধ্যেই সেই নথি ও সংক্রান্ত ইনফো যাকে নিয়ে, তাকেই টাকার বিনিময়ে দেওয়ার কথা, আর সিজারকে পিটানোর কথা চিন্তা করে। (নীচের ছবি)

সেই নথির বিব্রতকর দিকের প্রমাণ

সেই নথির বিব্রতকর দিকের প্রমাণ

আর ‘ইন্ডিভিজুয়াল ১’ এর বিরুদ্ধে যে আসলেই সাস্পিসিয়াস এক্টিভিটি রিপোর্ট (Suspicious Activity Report, SAR) আছে, সেটার প্রমাণ নীচের অংশে।

সাস্পিসিয়াস এক্টিভিটি রিপোর্টের সত্যতা

সাস্পিসিয়াস এক্টিভিটি রিপোর্টের সত্যতা

যাদের এন্টি মানি লন্ডারিং বা ব্যাংকিং এর ব্যাপারে আইডিয়া আছে, তারা জানবেন SAR ফাইল হয় ট্রাঞ্জ্যাকশনে বড় এমাউন্ট থাকলে (আমেরিকায় ঠ্রেশল্ড  Financial Crimes Enforcement Network (FinCEN) এর জন্য ২৫,০০০ ডলার)। আর সেটা এফবিআই এর ডাটাবেজে রাখার মানে হচ্ছে অবশ্যই অনেক বড় এমাউন্টই বটে। আর বড় এমাউন্ট না হলে, পয়সার বিনিময়ে কেউ এটা লিক করতে যেতনা।

এখন বলবেন, এইসবই তো স্রেফ অভিযোগ, তাইনা ? জ্বী, এসবই অভিযোগ। কিন্তু এইসব অভিযোগই মাথা পেতে স্বীকার করে নিয়েছেন রবার্ট লাস্টিক !! [২]

মানে সব অভিযোগই সত্য, অর্থাৎ ইন্ডাইটমেন্টের সব তথ্য সঠিক !!! মানে  ‘ইন্ডিভিজুয়াল ১’ এর বিরুদ্ধে যে আসলেই ৩০০ মিলিয়নের ফাইল আছে, সাস্পিসিয়াস এক্টিভিটি রিপোর্ট আছে, আর সেইসব এফবিআই এর কাছে আছে, আর সেসব বিএনপি এর হাতেও পৌঁছেছে !!

 

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই ‘ইন্ডিভিজুয়াল ১’ টা কে ? এর উত্তর পাবেন নীচের অংশেঃ 

কে এই ইন্ডিভিজুয়াল ১ ?

কে এই ইন্ডিভিজুয়াল ১ ? 

সব পড়ে তো আমার কাছে, সজীব ওয়াজেদ জয়ের কথাই মনে হচ্ছে, যেকিনা বোমা হামলার খবর পড়ে  হাসছে, তাও যেই পত্রিকায় আজকে তার সর্বনাশের খবর দিচ্ছে, সেই পত্রিকাই !!

দ্যা ইন্ডিভিজুয়াল ১ - রাজপুত্র জয় কান্তি

দ্যা ইন্ডিভিজুয়াল ১ – প্রধানমন্ত্রী পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় 

আর জয় নিজেই ফেসবুক স্টাটাসে স্বীকার করেছে , সে নিজেই কোর্টে গিয়েছে  ৪ মার্চ বুধবার।

১ম ব্যক্তি যে জয়ই, এই ব্যাপারে আসলে কোনই সন্দেহ নাই …

জয়ের স্বীকারোক্তি : https://www.facebook.com/sajeeb.a.wazed/posts/596278217175272

রেফারেন্স : —-

[১]http://www.justice.gov/usao/nys/pressreleases/December14/LustyikRobertPlea/Lustyik%20Et%20Al.Indictment.pdf

[২] http://www.justice.gov/usao/nys/pressreleases/December14/LustyikRobertPlea.php

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More